Posts

Showing posts from 2020

সামাজিক মিডিয়াতে আমরা কিভাবে অবৈতনিক কর্মী হিসাবে কাজ করি?

অনলাইনে এ সম্পর্কে অনেক বড় বড় লেখা পাওয়া যায়। তা পড়ে আমার যা মনে হল, আমি, আপনি আমরা সবাই পন্য। আমি যে জিনিসেরই খোজ গুগলে করবো, পরবর্তীতে গুগল ওই জিনিস সম্পর্কে নিউজ দিতে থাকবে। যেমন, mi ফোন ব্যবহার করার জন্য miui 12 কবে আমার ফোনে পাবো তা নিয়ে কয়েকদিন ঘাটাঘাটির ফলে ক্রোম, ইউটিউব সর্বত্র miui 12 এর নিউজ ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের সামনে যে এ্যাড আসে তা বেশির ভাগই আমাদের সার্চের সাথে সম্পর্কিত। evaly কেমন সার্ভিস দেয় তাই জানার জন্য খোজ করার পর, এবং daraz থেকে প্রায় পন্যমূল্য দেখতে যাই। এতে amazon, evaly, daraz এর এ্যাড প্রায়ই দেখি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই আমরা কমেন্ট, ম্যাসেজে বিভিন্ন পন্য নিয়ে আলোচনা করি। এতে ওই ধরনের পন্যের বিজ্ঞাপন দেখি। যত এ্যাড, তত আয়। এগুলো গেল বিজ্ঞাপন দেখার বিষয়। এবার সবগুলো বিষয় একত্রিত করুন। এবার এসব সাইট থেকে সারা বছরে মাত্র ২-৩ টি পন্যও কেনেন এবং তাই নিয়ে আবার রিভিউ দেন তাহলে সেটার ব্যাপারে কিছুটা হলেও প্রোমোশন হল। বর্তমান যুগে যে পন্যর প্রচার বেশি সে পন্য তত বিক্রয় হয়। আর একটা কথা না বললেই নয়। অনেকে রিভিউ ব্যাপাটা বুঝবেন না। আপনি ৪ নং টা আবার পড়ুন। আর এর আ...

বাংলাদেশে ভবিষ্যতে কোন পেশার চাহিদা বেশি থাকবে?

১.সরকারী চাকরীঃ বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে সরকারি চাকরি যে সর্বদাই চাহিদাসম্পন্ন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ১৬ তম গ্রেড থেকে যত উপরে তাকাবেন তত বেশি চাহিদা সম্পন্ন চাকরী। চার বছর পরে কেন আগামী ১০ বছরেও এর চাহিদা বাড়বে বৈ কমবে না। ২. প্রোগ্রামারঃ প্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিক দিয়ে ভবিষ্যতে প্রোগামিংকে পেশা হিসাবে নিলে ফেইল মারার কোন চান্স নেই। চাকরী না জোটাতে পারলেও আয়ের কোন একটা দিক ঠিকই বের করে নিতে পারবেন। ৩. ডাক্তারঃ ডাক্তারের চাহিদা আদি কাল থেকে অনাদিকাল পর্যন্ত। বিস্তারিত বলার কিছু নাই। ৪. ফার্মাসিস্টঃ ডাক্তারের লেজুড় বা সহযোগী হিসাবে এদের চাহিদাও প্রচুর। কারন কলমের খোচায় ঔষুধ লিখলেই তো আর হচ্ছে না, সেটা তৈরি তো করা দরকার। ৫. কৃষিবিদঃ খাদ্যচাহিদা পূরনে, আর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষিবিদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু তুলনামূলক ভাবে দেখতে গেলে এ লাইনে পড়ুয়া ছাত্রের সংখ্যা অন্তত আমাদের দেশে অনেকই কম। সতুরাং এ লাইনে গেলে বাস্তবিক ভাবে চাকরীর অভাব হবে না। ৫. ভেটোনারী চিকিৎসকঃ কৃষিবিদের মতই অবস্থা, গরু ছাগলের ডাক্তার বলে লোকে ক্ষেপাতে পারে এই ভয়ে অনেকেই পিছিয়ে যায় এ পেশায় আসতে। দিনদিন চাহিদা বেড়েই...

দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচ্চ শিক্ষিত ছাত্রদের এবং বাইরে পিএইচডি করতে যাওয়া ছাত্রদের দেশে অন্তত ১০টি বছর বাধ্যতামূলকভাবে শ্রম দেওয়া ও বিদেশে অভিবাসন বন্ধ করা উচিত নয় কি?

আমি নিজের ব্যক্তিগত মতামত থেকে বলছি, দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পড়াশোনা কিরকম হয় তা দেশের যেকোন অনার্স লেভেলের ছাত্র অনুমান করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ছাত্রদের পড়ানোর জন্য সেরা শিক্ষকদেরই তো প্রয়োজন। আর সেরা শিক্ষক কি আজীবনই বিদেশ থেকে আমদানী করতে হবে নাকি দেশের সেরা ছাত্রদেরই উচিত পিএইচডি এর পর নিজের দেশের ছাত্রদের সেটা শেখানো। আমি জানি বর্তমানে বিদেশী শিক্ষক আমদানী কমই করা হয়। যারা বিশ্ববিদ্যালেয়ে পড়ান তাদের শিক্ষকতার যোগ্যতা অনেক। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাওয়া স্টুডেন্টের জন্য যে ভর্তি প্রতিযোগিতা হয় তেমনি বা তার ২৫% প্রতিযোগিতা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় ঢুকতে চাওয়া পিএইচডিধারীদের ভিতরে থাকতো তাহলে পড়াশোনার মান কতটা উন্নত হত ভেবে দেখেছেন? দেশের একজন অশিক্ষিত লোক ও জানে যে বিদেশে যায় তার পরিবার যদি দেশে থাকে তাহলে সে তার বেতনের অনেকটাই দেশে পাঠায় রেমিটেন্স আকারে। তো আমি দেশের জন্য টাকা পাঠালাম, আমার ছেলে বড় হয়ে ভাল কলেজে লেখা পড়া করে বিদেশ চলে গেল আর পাশের বাড়ির একটা ছেলে তাই দেখে জমি বিক্রি করে শ্রমিক হিসাবে বিদেশে গেল আয় করতে। এবার আমার দেশের লাভ টা কি হল? দেশে শুধু টাক...