বাংলাদেশে ভবিষ্যতে কোন পেশার চাহিদা বেশি থাকবে?
১.সরকারী চাকরীঃ বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে সরকারি চাকরি যে সর্বদাই চাহিদাসম্পন্ন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ১৬ তম গ্রেড থেকে যত উপরে তাকাবেন তত বেশি চাহিদা সম্পন্ন চাকরী। চার বছর পরে কেন আগামী ১০ বছরেও এর চাহিদা বাড়বে বৈ কমবে না।
২. প্রোগ্রামারঃ প্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিক দিয়ে ভবিষ্যতে প্রোগামিংকে পেশা হিসাবে নিলে ফেইল মারার কোন চান্স নেই। চাকরী না জোটাতে পারলেও আয়ের কোন একটা দিক ঠিকই বের করে নিতে পারবেন।
৩. ডাক্তারঃ ডাক্তারের চাহিদা আদি কাল থেকে অনাদিকাল পর্যন্ত। বিস্তারিত বলার কিছু নাই।
৪. ফার্মাসিস্টঃ ডাক্তারের লেজুড় বা সহযোগী হিসাবে এদের চাহিদাও প্রচুর। কারন কলমের খোচায় ঔষুধ লিখলেই তো আর হচ্ছে না, সেটা তৈরি তো করা দরকার।
৫. কৃষিবিদঃ খাদ্যচাহিদা পূরনে, আর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষিবিদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু তুলনামূলক ভাবে দেখতে গেলে এ লাইনে পড়ুয়া ছাত্রের সংখ্যা অন্তত আমাদের দেশে অনেকই কম। সতুরাং এ লাইনে গেলে বাস্তবিক ভাবে চাকরীর অভাব হবে না।
৫. ভেটোনারী চিকিৎসকঃ কৃষিবিদের মতই অবস্থা, গরু ছাগলের ডাক্তার বলে লোকে ক্ষেপাতে পারে এই ভয়ে অনেকেই পিছিয়ে যায় এ পেশায় আসতে। দিনদিন চাহিদা বেড়েই চলেছে।
৬. ইন্জিনিয়ারিংঃ রাস্তাঘাট তৈরি হোক, আর বিল্ডিং, টিভি হোক আর মোবাইল চিপ কোন না কোন ইন্জিনিয়ার লাগবেই। তো আর বলার কিছুই নেই।
৭. মার্কেটিংঃ পেশা হিসাবে মার্কেটিং খুবই কষ্টসাধ্য। মানুষের পকেট থেকে টাকা নিজের (মানে কোম্পানীর) পকেটে ঢোকানোর মত কাজ রীতিমতো অসাধ্য সাধন ছাড়া কিছু নয়। আবার অনেকেই কাজটি দিনের পর দিন জলের মত কাজটি করে যাচ্ছেন। একজন দক্ষ মার্কেটিং পেশার লোকের চাহিদা সকল প্রতিষ্ঠানেই আছে। তবে অভিজ্ঞতা এখানে সব থেকে বড় ফ্যাক্ট হিসাবে কাজ করে।
৮. একাউন্টেন্টঃ চাহিদা আশা করি থাকবে। (আসলে নিজে এ পেশায় আছি কি না)। আমাদের এক স্যার বলতো, "তোরা সারাদিন কোটি কোটি টাকার হিসাব করিস, আর শেষে বাড়ির বাজার করার টাকা থাকে না।"(ডেবিট সাইড = ক্রেডিট সাইড)। আসলে পরের টাকা গুনে হিসাব করে দেওয়ার জন্যও তো লোকের দরকার।
Comments
Post a Comment