সামাজিক মিডিয়াতে আমরা কিভাবে অবৈতনিক কর্মী হিসাবে কাজ করি?

অনলাইনে এ সম্পর্কে অনেক বড় বড় লেখা পাওয়া যায়। তা পড়ে আমার যা মনে হল,

  1. আমি, আপনি আমরা সবাই পন্য।
  2. আমি যে জিনিসেরই খোজ গুগলে করবো, পরবর্তীতে গুগল ওই জিনিস সম্পর্কে নিউজ দিতে থাকবে। যেমন, mi ফোন ব্যবহার করার জন্য miui 12 কবে আমার ফোনে পাবো তা নিয়ে কয়েকদিন ঘাটাঘাটির ফলে ক্রোম, ইউটিউব সর্বত্র miui 12 এর নিউজ ঘুরে বেড়াচ্ছে।
  3. আমাদের সামনে যে এ্যাড আসে তা বেশির ভাগই আমাদের সার্চের সাথে সম্পর্কিত। evaly কেমন সার্ভিস দেয় তাই জানার জন্য খোজ করার পর, এবং daraz থেকে প্রায় পন্যমূল্য দেখতে যাই। এতে amazon, evaly, daraz এর এ্যাড প্রায়ই দেখি।
  4. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই আমরা কমেন্ট, ম্যাসেজে বিভিন্ন পন্য নিয়ে আলোচনা করি। এতে ওই ধরনের পন্যের বিজ্ঞাপন দেখি।
  5. যত এ্যাড, তত আয়।
  6. এগুলো গেল বিজ্ঞাপন দেখার বিষয়। এবার সবগুলো বিষয় একত্রিত করুন। এবার এসব সাইট থেকে সারা বছরে মাত্র ২-৩ টি পন্যও কেনেন এবং তাই নিয়ে আবার রিভিউ দেন তাহলে সেটার ব্যাপারে কিছুটা হলেও প্রোমোশন হল। বর্তমান যুগে যে পন্যর প্রচার বেশি সে পন্য তত বিক্রয় হয়।
  7. আর একটা কথা না বললেই নয়। অনেকে রিভিউ ব্যাপাটা বুঝবেন না। আপনি ৪ নং টা আবার পড়ুন। আর এর আরো একটা দারুন উদাহরন আছে। ধরুন, আপনি পোকোফোন এফ 1 কিনলেন। তাদিয়ে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিলেন। কারো কাছে ছবিটা ভালো লেগে গেল। বর্তমানে ছবি তুললে ছবির নিচের দিকে বাম পাশে কোন ফোন থেকে তোলা তা পাওয়া যায়। যার কাছে ছবিটা ভাল লাগলো সে নিজে একটা ভাল ফোন কিনতে চাচ্ছিল। ব্যাস আপনি তাকেও সাহায্য করলেন ফোন কিনতে। আবার আবার সামাজিক মিডিয়াতে আপনি ওই কোম্পানীর অবৈতনিক কর্মী হয়ে তাদের এক ইউনিট পন্য বেচতে সাহায্য করলেন।

দেখলেন, উদাহরন দিতে গিয়ে আমিও কতগুলো কোম্পানীর অবৈতনিক কর্মী হয়ে গেলাম।

Comments

Popular posts from this blog

স্বল্প শিক্ষিত বউ বনাম অধিক শিক্ষিত বউ ১

History of Pohela Boishakh

বাংলাদেশে ভবিষ্যতে কোন পেশার চাহিদা বেশি থাকবে?